শনিবার, ২২ জুন, ২০১৩

কিছু কৌতুক


  1. একজন বাংলাদেশী, একজন পাকিস্তানী আর একজন ইন্ডিয়ান ওরা তিন বন্ধু সমুদ্র ভ্রমেনে গেছে। সাগরে দুর্ঘটনায় নৌযানটি ডুবে যায় এবং ৩ জনই ভাসতে থাকে। এসময় আলাদিনের চেরাগের দৈত্ত এসে হাজির। দৈত্ত বলল আমি আপনাদের প্রত্যেকের একটি করে ইচ্ছা পুরন করব। প্রথমে ইন্ডিয়ান কে বলল, কি চান? সে বলল আমাকে আমার দেশে পাঠিয়ে দাও। দৈত্ত তাই করল। তারপর পাকিস্তানী কে বলল, কি চান? সে ও বলল আমাকে আমার দেশে পাঠিয়ে দাও। দৈত্ত তাই করল। সর্বশেষ বাংলাদেশী কে বলল, কি চান? সে বলল "এতক্ষন তিনজন মিলে ভাসতেছিলাম, এখন আমি একা হয়ে গেছি। তুমি ওদেরকে আমার কাছে এনে দাও।"
  2. যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিবিদরা একটি মেশিন তৈরী করলো যেটি চোর ধরতে পারে। প্রযুক্তিবিদরা ঠিক করলো এটি পরীক্ষা করার জন্য বিভিন্ন দেশে নিয়ে যাবে। তবে প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে এটি পরীক্ষা করবে। যুক্তরাষ্ট্রে পরীক্ষা করার পর ৩০ মিনিটে ২০ জন চোর ধরা পড়লো। দিত্বীয় পরীক্ষা চালানো হল যুক্তরাজ্যে। এখানে ৩০ মিনিটে ৩০ জন চোর ধরা পড়লো। তৃতীয় পরীক্ষা চালানো হল অস্ট্রেলিয়াতে এবং এখানে ৩০ মিনিটে ধরা পড়লো ৪০ জন চোর। চতুর্থ পরীক্ষা চালানো হল বাংলাদেশে। কিন্তু কোনো চোর ধরা পড়লোনা। কারন পরীক্ষা চালানোর ৫ মিনিটের মধ্যে মেশিনটাই চুরি হয়ে গেল।
  3. এক মেয়ের সঙ্গে কথা বলার পর পল্টু বল্টুকে বলছে..................... পল্টু: মাইয়াডা মনে অয় বয়রা। কই এক কথা আর কয় আরেকখান কথা। বল্টু: ক্যামতে? পল্টু: আমি তারে কইলাম "আমি তুমারে ভালোবাসি"। আর মাইয়াডা কইলো "আমি গতকালকেই নতুন স্যান্ডেল কিনছি"। 
  4. বনে বাঘের বিয়ে হচ্ছে। সেখানে এসেছে শিয়াল, হাতি, সিংহ, ভাল্লুক আরো অনেকে। সবাই অনেক নাচ গান করছে। কিন্তু বিড়াল কিছুটা ব্যতিক্রম। সে একটু নাচে আর একটু কাঁদে। তা সিংহ মামার নজরে গেলো। বিড়ালের কাছে এসে বিড়ালকে বলছে সিংহ: কিরে বিলাই, তুই একবার নাচোসতো আর একবার কান্দোস, ঘটনা কি? বিড়াল: কি আর কমু মামু, নাচি বাঘ মামুর বর্তমান অবস্থা দেইখা আর কান্দি বাঘ মামুর ভবিষ্যত চিন্তা কইরা। সিংহ: ভবিষ্যত চিন্তা কইরা মানে? বিড়াল: মামু, আমিও এক সময় বাঘ মামুর লাহান বাঘ আছিলাম, বিবাহ কইরা বিলাই-এ পরিনত হইছি। শ্রেনীতে শিক্ষক পড়াচ্ছে.......... শিক্ষক: অক্সিজেন শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য প্রয়োজনীয়। ১৭৭৩ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়। মেরাজ: আহ বাঁচছি। আমি এর পরে জন্মাইছি। আগে পয়দা হইলেতো মইরাই যাইতাম। হাসিব : বাবলু, পৃথিবী গোল হওয়ার তিনটি প্রমাণ দিতে পারবি? বাবলু : প্রথম প্রমাণ, স্যার বলেছেন পৃথিবী গোলাকার। দ্বিতীয় আব্বু ওই একই কথা বলেছেন। আর তৃতীয় প্রমাণ, বইয়ে এ কথাই লেখা আছে। এক দুই ভদ্রলোক ট্রেনের টয়লেটের দরজায় মুখোমুখি । প্রথম ব্যক্তি : আপনি আগে সেরে আসুন । দ্বিতীয় ব্যক্তি : নাহ্ আগে আপনি সেরে আসুন । প্রথম ব্যক্তি : নাহ্ আপনি আগে সেরে আসুন । দ্বিতীয় ব্যক্তি : নাহ্ আপনি আগে সেরে আসুন । আরও দুচারবার আপনি আগে আপনি আগে করতে করতে.... প্রথম ব্যক্তি : আমি পেন্টের মধ্যে সেরে ফেলেছি.. ..... প্লিজ আপনিই যান... শেয়াল : একটা ঘোড়া যদি উত্তরমুখো হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, তাহলে তার লেজটা কোন্ দিকে থাকবে? কুমিরের ছা : দক্ষিণ দিকে। শেয়াল : উঁহু, হলো না, মাটির দিকে। [যে যে রকম সে সবসময় সেই রকমই চিন্তা করে ] দুই বন্ধু সুন্দর বনে বেড়াতে গেল। হঠাৎ একটা বাঘ তাদের সামনে এসে হাজির হলো। ১ম বন্ধু বাঘের চোখে একটা ঢিল মেরে দিল একটা দৌড় এবং ২য় বন্ধুকে বলল দোস্ত, দৌড়ে পালা, তাড়াতাড়ি। ২য় বন্ধু : আমি পালাবো কেন? আমি কি বাঘের চোখে ঢিল মেরেছি নাকি? তুই বাঘের চোখে ঢিল মেরেছিস, তুই-ই দৌড়ে পালা। অফিসের বস পিয়নকে একটা ম্যাচবাক্স কিনে আনতে বললেন। পিয়ন দোকান থেকে ম্যাচবাক্স কিনে এনে দিল বসকে। জ্বালাতে গিয়ে বস দেখলেন, একটা কাঠিও জ্বলছে না। বসের রাগত কণ্ঠঃ ‘কী এনেছিস রে বোকা? একটা কাঠিও তো জ্বলছে না!’ পিয়নের উত্তরঃ ‘কী যে বলেন স্যার? প্রত্যেকটা কাঠি আমি নিজে জ্বালিয়ে দেখেই ম্যাচটা এনেছি স্যার।’ একবার মন্টু মিয়া, ক্যাবলা আর তাদের এক বন্ধু সেন্টমার্টিন দ্বীপে বেড়াতে গেছে। সেন্টমার্টিনে তারা হোটেলে এক বিছানার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়েছে। কিন্তু রাতে যখন তারা বিছানায় ঘুমাতে গেল, তখন কিছুতেই তিনজনের জায়গা হচ্ছিল না। অনেক জোরাজুরি করেও যখন তিনজনের জায়গা হলো না, তখন ক্যাবলা বিছানা থেকে নেমে নিচে শুয়ে পড়ল। ক্যাবলা নিচে নামামাত্রই মন্টু মিয়া বলল, ‘আরে, এখন তো অনেক জায়গা বেড়ে গেল। ক্যাবলা এবার উঠে আয়।’ একবার মন্টু মিয়া আর তার এক বন্ধু গাড়িতে করে বাসায় ফিরছিল। বেশ দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো দেখে মন্টু মিয়া তার বন্ধুটিকে বলল, ‘আরে দোস্ত, এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছ কেন?’ বন্ধুটি বলল, ‘সাধে কি গাড়ি জোরে চালাচ্ছি! গাড়ির ব্রেক ছিঁড়ে গেছে, তাই কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই দ্রুত বাসায় পৌঁছাতে হবে।’ মিসেস রহমান দেখলেন তার পাশের বাসার পিচ্চি ছেলেটা গলির মোড়ে দাড়িয়ে সিগারেট ফুকছে। তিনিতো রেগে কাই। তোতলাতে তোতলাতে বললেন - এ এ এই পিচ্চি...তুমি যে সি সি সি সিগারেট খাও তোমার বাবা মা জানে? ছেলেটা একটুও না চমকে বলল - আর আপনি যে চান্স পেলেই পরপুরুষের সাথে কথা বলেন সেটা আপনার স্বামী জানেতো? একবার মন্টু মিয়া লঞ্চে করে বরিশাল যাওয়ার পথে লঞ্চ ডুবে যেতে লাগল। লঞ্চের ডুবে যাওয়া দেখে সবাই বাঁচাও বাঁচাও বলে চিত্কার শুরু করল। চিত্কার করা দেখে লঞ্চের এক বিদেশি যাত্রী মন্টু মিয়াকে বললেন, আচ্ছা ভাই, এখান থেকে কত দূর গেলে মাটি পাওয়া যাবে? মন্টু মিয়া: হবে হয়তো মাইল দুয়েক। বিদেশি: মাত্র দুই মাইল! তা লোকগুলো বোকার মতো চিত্কার করছে কেন? দুই মাইল তো অনায়াসে সাঁতার কেটে যাওয়া যায়। তারা সাঁতার জানে না? এ কথা বলেই ওই বিদেশি নদীতে দিলেন এক লাফ। লাফ দিয়েই মন্টু মিয়াকে বললেন, ‘আচ্ছা বলুন তো, এবার কোন দিকে দুই মাইল গেলে মাটি পাওয়া যাবে?’ মন্টু মিয়া উদাস হয়ে জানাল, ‘ঠিক নিচের দিকে চলে যান।’ একবার এক সদ্য গাজাখোর বাড়ী ফিরেছে। কোনভাবেই যেন বাবা টের না পায় সেজন্য খুব সতর্ক। দরজা খুলে দিতেই সে এ্যাজ ইউজুয়াল সালাম দিলো। তারপরে দরজা দিয়ে দিলো। বেশী রাত হয়েছে বলে তার বাবা কটমট করে তাকিয়ে আছে কিন্তু বকাবকি করছে না। বললো, ভাত খেয়ে নাও! ছেলেটি গিয়ে টেবিলে বসেছে। রগচটা বাবা দাড়িয়ে আছে পাশে। ভয়ে ভয়ে সে খুব সতর্ক ভাবে ভাত নেয়, তরকারী নেয়, তারপরে ঠিকঠাক মত খেতে থাকে। এরপরে ডাল নেয়, ডাল দিয়ে খেতে থাকে। এবার বাবার দিকে তাকিয়ে দেখে বাবা চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে। ছেলেটি খুঁজে পায় না সে কি ভুল করেছে। খাওয়া শেষ হয়েছে যেই বাবা এসে মারলো জোরে একটা থাপ্পর। বললো, হারামজাদা, তুই যে ভাত খেয়েছিস, প্লেট কই? গ্রাম থেকে আসা এক লোক ঢাকার মহাখালী ফ্লাই ওভার দেখে তার এক বন্ধুকে বলল, আচ্ছা, সরকারের কী মাথা খারাপ হয়ে গেল ? বন্ধুঃ কেন সরকারের মাথা খারাপ হতে যাবে ? ভদ্রলোকঃ আমাদের কুড়ি গ্রামে অনেক খাল / নদী আছে এবং আমরা অনেক কস্ট করে ঐ সব খাল / নদী পারাপার হই, অথচ, সরকার ঐখানে ব্রীজ না করে এখানে শু্কনো রাস্তার উপর ব্রীজ দিয়ে রাখলো! টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!' টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়? পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!' টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো। তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুচ্ছিত!' এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না। তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু!' টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, 'কী?' পাখিটা বললো, 'বুঝতেই তো পারছেন।' এক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানী ঘুরতে বের হয়েছে আমাজনে। যেহেতু এটা একটা কৌতুক তাই আপনি এতক্ষনে বুঝে ফেলেছেন এরা ধরা পড়েছে জংলীদের হাতে। জংলীরা তিনজনকে একটা কুড়েঘরে আটকিয়ে রেখেছে। খুব চমৎকার একটা ফল খেতে দিচ্ছে তাদের। এই ফল খেয়ে তাদের চামড়া খুব মসৃন হয়ে যাচ্ছে। যেন তাদের যৌবন ফিরে আসছে। এরা তিনজনেই খুশী। এই সুখ অবশ্য বেশীদিন সইল না। একদিন সকালে জংলী সর্দার এল। এসে প্রথম ধরেছে পাকি-টাকে। -তুমি কিভাবে মরতে চাও? পাকিটা বলল তোমারা যে ফলটা খেতে দাও,সেই রকম মিষ্টি কোন ফল নিয়ে আস যেটা বিষাক্ত। ওটা খেয়েই আমি মরব। তার ইচ্ছা অনুযায়ী লাল একটা ফল নিয়ে আসা হল। পাকিটা "পাকিস্তান জিন্দাবাদ" বলে ফলটা খেয়ে ফেলল। তার এসে গেলো গভীর ঘুম যা আর ভাঙ্গে না। বাংগালী আর ভারতীয় দুইজন এরপর দেখল ভয়াবহ ব্যাপারগুলা। জংলীরা পাকিটার মাথা আলাদা করে সেটাকে মমি করে রাখল । বাকি শরীরের চামড়া ছাড়াল। এরপর সেটা দিয়ে বানাল ছোট একটা ক্যানু(canoe)। এইসব দেখে ভারতীয় আর বাঙ্গালীর অবস্থা খারাপ। পনের দিন পর জংলী সর্দার আবার এল। এইবার ভারতীয়টার পালা। ভারতীয়টাও "জয় হিন্দ" বলে ফল খেয়ে মারা গেল। তার মাথার মমি করা হল, চামড়াটা দিয়ে বানানো হলো ক্যানু। কিছুদিন পরে বাঙ্গালীর পালা। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কিভাবে মরবে? সে চাইলো একটা কাটা চামচ। এরপর কাটা চামচটা দিয়ে নিজের শরীরের নানা জায়গায় আঘাত করতে করতে বলল,"হালার পুত! পারলে এইবার নৌকা বানা"

শনিবার, ১ মে, ২০১০

ADOBE READER খোলা যাবে এক পলকে



নিচের বর্নিত পদ্বতি অনুসরন করে নোট প্যাডের মতো দ্রুত খোলা যাবে এডোবি রিডার (ADOBE READER)।
1. Go to the installation folder of acrobat reader

For e.g. (C:\program files\adobe\\reader\reader.. )

2. Move all the files and folders from the "plugins" directory to the "Optional" directory.

( cut and paste the files NOT copy & paste).

বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০১০

সেরা মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার GOM Player


সব ধরনের অডিও ভিডিও ফাইল চালান ঝামেলা ছাড়া।
ডাউনলোড

মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১০

মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০১০

কুহেলিকা

কোন একদিন-জীবনের সন্ধিক্ষনে,
তারার আলো ঝরা রাতে,
জোৎস্নার রূপালী প্লাবনে,
কোন এক মানবীর আগমন ঘটেছিল।
প্রকৃতির সুষমা,
প্রণয়ের উচ্ছ্বাস,
আড়াল করেছিল তার যত অপূর্ণতা।
মুর্ত ছিল সে- কখনও লাবণ্য,
কখনও বনলতাসেন রূপে।
আজ-বহুকাল পরে,
স্বপ্নিল পূর্ণিমার অবসানে,
বাস্তবতার রৌদ্রালোকে,
উন্মোচিত এক চরম সত্য-
সে মানবী ছিলনা,
ছিলনা জ্যোতির্ময়ী।
না লাবণ্য,না বনলতাসেন।
পুরোটাই ছিল ভ্রম,কুহেলিকা।
মরুবাসী তৃষ্ণার্তের কাছে-
মরীচিকার মতো।

২৮-০৭-২০০০

সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০০৯

প্রত্যাশা

কিছুই পারেনি মুছে দিতে সময়,
কিছুই নই বিস্মৃত।
দীনতা, হীনতা ,মায়া আর মমতা
দেখেছি এ জীবনে যত।
মৃত নক্ষত্রের মত গেছো হারিয়ে,
এসেছিলে যে মধুমাসে।
ঢেকে গেছে আজ পদ-চিহ্ন
জানি নতুন দূর্বাঘাসে।
যে জলে তোমার ছোঁয়ায়
ফুটতো পদ্ম হাজার।
শূন্য আজ সে সরোবর
বন্ধ পারাপার।
জোনাকির আলোয় খুঁজে ফিরি পথ,
গ্রহণ লেগেছে চাঁদে।
অনুরাগের দিশে; হারাই বারেবার
শুধু আলেয়ারই ফাঁদে।
জ্যোতির্ময়ী সেজেছিলে শুধু,
আসলে কি ছিলে তা?
অপূর্ণ মানবী তুমি-কুহেলিকা;
নও দয়িতা।
তবুও জানি প্রণয়ের নামে মিথ্যাচারে
প্রেম নয় অপরাধী।
প্রত্যাশা কখনও হয়না রুদ্ধ
উন্মুখ নিরবধি।

প্রণয়ের আর্তি

অনেকতো হলো প্রতীক্ষা, হলো অনেক পথচলা
খুঁজে নক্ষত্র, খুঁজে বৃক্ষছায়া।
দেখো অগ্রপশ্চাৎ ,খোলো হিসাবের খাতা
পেয়েছো কতোটুকু মনোযোগ, কতোটুকু আলো, কতোটুকু ছায়া।

কতো ছুটবে আর আলেয়ার পিছে?
কতো কাটবে দিন দূরের বাঁশি শুনে !
বসন্ত এসে ফিরে যাবে বারবার
জ্যোৎস্না হারাবে তিমিরে, পূর্ণিমার দিন গুনে।

অর্জিত হবে না কিছুই
আত্মপ্রবঞ্চনার বিনিময়ে
মুখে আনো প্রণয়ের আর্তিটুকু
চাপা পড়ে আছে যা গহীন হৃদয়ে।

আকাঙ্খার সাথে আপোষ করোনা,
জীবনটা খুব বড়ো নয়।
জীবন অনন্ত করে শুধু প্রেম-অন্য কিছু নয়।